আগুন!
আগুন!!
আগুন!!!
আগুন!!!
আগুনে!!!
পোড়ে যাচ্ছে, পোড়ে ছাড়খার
উথাল-পাতাল, উন্মাতাল
বুকের পোড়ায় চোখের জলে
লকলকে দেয় ফোয়েল ঢেলে...
এসিডে ঝলসানো লকলকে ঝকঝকে
টসটসিয়ে দাগ, টগবগিয়ে উঠছে ফোঁড়ক,
বারূদে যেমন চুরোট পোড়ে
চাপটে ঠোঁটে চুমোর জুড়ে...!
সাত দিনের শিশুকে টীকার সূঁচ ফোঁটালে
নিষ্পাপ অথচ করূন কান্নায়
কত্ত অবুঝ, বড় অসহায়
পোড়ছি দেখো ভিষম জ্বালায়,
নিরাপরাধীর কি অবমাননা সয়!
উহফ! যাচ্ছি পোড়ে সহ্য ছেড়ে
কান্নায়...।
এমন কান্নার স্বরধ্বনি থেকে অনেকে-ই
নিজেকে বদলায় পশুত্বে, আর তখন
তার অতৃপ্ত অত্নাটি জেগে উঠে স্বকরূণ অভিশাপের চিত্র নিয়ে,
প্রায়শ্চিত্বের চাদরে চরিত্র ঢেকে
আছড়ে আছড়ে ম্যাছাখার করে ফেলে চারপাশ
অবশেষে নিজেকে।
সেই কবে থেকেইতো দেখে এসেছি
আজো সয়ে সয়ে দেখেই যাচ্ছি,
হাবিয়া জাহান্নামের তপ্ত শিখায়
অনেকেই পোড়ে, নিতান্ত অসহায়, যেন
সময়ের দাগে নরকের অডিশন...
সব্বাই ঠিক উঠেপড়ে লাগে তখন,
আমি-ই সবচেয়ে ভয়াবহ জাহান্নামী,
সব্বাইকে ছেড়ে যেতে সবার এমন
একে একে চলে প্রমাণ...।
বুকের ভিতর যাচ্ছে পোড়ে
স্থাবর অস্থাবর বসত বাড়ি, মূল্যবোধের দরাদরি
যাচ্ছি সবই ভুলে ভালে
সমানতালে,
গুমড়ে উঠা কান্নার ধ্বনিতে দেবো
অডিশন...
একদিন আমিও দিতে
নিখাঁদ প্রমাণ...
হয়তো সেদিন,
আমার কান্নার ধ্বনি প্রতিধ্বনিত হবে
ইসরাফীলের শিঁঙ্গার ফোঁকের সমান।
দাউ দাউ দাউ পোড়ে যাচ্ছে
হৃদয়ে আগুন, অস্থিমজ্জা
হয়তো বেশি বাকি নেই
একটু পরে ছাই হবে লজ্জ্যা,
ধরনীর অতৃপ্ত আত্নারা উঠবে জেগে
আমাতে ভর করে,
শত সহস্র কোটি সমানে সমান
ধ্বংসের আজ্ঞা পালনে
আমার একেক ফরমাণ।
(সাইন.জুবায়ের, ২০,১১,২০১০, ০৩.৫৪পি.এম, পিংকসিটি, ঢাকা)

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন