শুক্রবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০১০

“হ্যাপী নিউ ইয়ার-এগার”

.........সাইন.জুবায়ের












আজ রাত বারটায় যারা
নতুন মাইল ফলক ছোঁবে,
এগার এসেছে, বিদায় দশরা
তোমরা সবুজ স্বাগত নেবে...!

বয়স বাড়ায়, বয়স কমায়
পূরোন বছর, নতুনে ছোঁয়
পূরোন সবি, নতুন হয়
নতুন পৃষ্ঠা তামাম পৃথিবীয়...

নব্য চেতনায়, নব্য ভাবনায়
মনুষ্যত্ব জাগুক, ভেদাভেদ ঘুচাক
অশান্তির শ্মশান, শান্তিতে বদলায়
অন্তর মনে জয়ধ্বনি উঠুক...

নতুন কাপড়ে যেমনি বদলাও
বদলে মন আনন্দে অগণন...!
নতুন এগারতে বদল হও
অন্যকে বদলাও আনো কল্যাণ...

নতুন বছর বদলাতে শিখায়
চলো বদল হই সত্যিকারের,
বদলে দেওয়ার অঙ্গীকারনামায়
হ্যাপী নিউ ইয়ার “এগার”।

                       
(সাইন.জুবায়ের, ৩১/১২/২০১০, ০৩.৫৪পি.এম, পিংকসিটি)

তুমি...

...সাইন.জুবায়ের














তুমি অপরূপা
তুমি অবতার
তুমি চন্দ্রলোপা
দেবী অরাধনার...

তুমি কবিতা
তুমি ছন্দের
তুমি রচিতা
তামাম কাব্যের...

তুমি জীবন
তুমি সংযোজনে
তুমি মরণ
তোমার বিয়োজনে...

তুমি বর্ণনা
তুমি লিখন
তুমি তুলনাহীনা
বিরহে পীড়ন...

তুমি হাসাও
তুমি কাঁদো
তুমি কাঁদাও
ছোবলে মৃদু...

তুমি তিনমিনিটও
তুমি তিনঘন্টা
তুমি চলনতো
সহস্রাব্দের ঘন্টা...

তুমি ফুল
তুমি হিল্লুল
তুমি নিটুল
শুদ্ধের ভুল...

তুমি প্রিয়
তুমি প্রিয়া
তুমি চুমোয়
জীবন বেপীয়া...

তুমি শুরূতে
তুমি শেষে
তুমি মাঝপথে
জগতের অনিমেষে...

তুমি অস্রূতে
তুমি কান্নায়
তুমি শত্রুতে
মিলাও গলায়...

তুমি অন্ধ
তুমি অবিবেচক
তুমি মন্দ
জালাও অধিক...

তুমি জ্ঞা
তুমি সত্যি
তুমি বিজ্ঞা
হৃদয়ের বসতি...

তুমি শিশু
তুমি দেবতা
তুমি যীশূ
খোদার অরপিতা...

তুমি স্বর্গীয়
তুমি আউয়াল
তুমি পূঁজনীয়
ফেরদউস-ই জান্নাতুল...

তুমি ব্যর্থতায়
তুমি সপ্তমে
তুমি রুক্ষতায়
হাবীয়া জাহান্নামে...

তুমি আকাঙ্খা
তুমি স্পর্শে
তুমি জীবনশিখা
অরাধনার শীর্ষে...

তুমি আকাশ
তুমি বাতাস
তুমি নিঃশ্বাস
অফুরন্ত বিশ্বাস...

তুমি চলন্ত
তুমি অনন্তে
তুমি বসন্ত
হৃদয়ের সীমান্তে...

তুমি ছোঁও
তুমি ধূঁয়া
তুমি বহাও
চৈতালী হাওয়া...

তুমি প্রতিমা
তুমি প্রেয়সী
তুমি প্রিয়তমা
ভালোবাসা ভালোবাসি...

তুমি অস্পরী
তুমি তুলনাহীনা
তুমি ঈশ্বরী
ধরনীর কামনা...

তুমি কে
তুমি সে
তুমি এঁকে বেঁকে
যাবে এসে...

তুমি তুমিনা
তুমি প্রেম
তুমি তুমিনা
তোমার প্রেম...


(সাইন.জুবায়ের, 13.07.2010, 5:30am pinkcity)

বৃহস্পতিবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০১০

চামড়ার বাজারের খোঁজ এবং…

........সাইন.জুবায়ের










এবার চামড়ার বাজার সবখানে
হয়তো ভালো যাবে,
বলছিলাম ব্যবসায়ী বন্ধুকে ফোনে
কারন আছে, তবে-

পাশে দাঁড়ানো মেয়েটি খিঁচকে
চোখ দুটি রাঙ্গিয়ে
কেমন যাচ্ছে যাওনা দেখে
আমার সাথে যেয়ে...

ভেবা-চেগা খেলাম দারূন,
আপনি চামড়ার বিক্রেতা?
নাকি পাইকারী ক্রেতার মহাজন?
বললাম আমতা-আমতা...

আবার খিঁচকে বলে চিল্লায়
পাইকারী বেচুম ক্যাঁন?
কয়জন করবেন? কয় হালায়?
ছুবিধা, একজন আছেন...

কয়জন করবেন? মানে ব্যাবসা
ভাবলাম মনে মনে...
বললো একজইন্যা, বেছিতে ছমছ্যা
যাইব্যান কোন খানে?

ব্যবসায়ী বন্ধুদের কাজে আসবে
আভাস চাই বাজারের
সবাইতো বাজার বিশেষজ্ঞ ভাবে
পিছু নিলাম খবরের...

ট্যাক্সি ডেকে বললাম উঠেন,
আপনার ব্যবসা কোথায়?
চামড়ার কতো খবর রাখেন?
মেয়েরা এই ব্যবসায়?

বললোঃ রাইয়্যের বাজার ছলেন
ওখানে কি ফেক্টরী?
ফেক্টরী জাইন্ন্যা আফনেকি করেন?
একেইল্ল্যানা আফনে, ধুত্তুরি...!

হ্যাঁ আমি একলা বলেনঃ
কত খবর রাখেন?
হালায়তো মুছকিইল্ল্যা দারূন
আমায় হয়না পছনন...!

না না না বলছি শোনুনঃ
চামড়ার খবর দরকার...।
আগে মোরে দেইখ্যা লন
আছে হাজারের উপর...

ওহ, তাই! সাইজ কত?
ছোট বড় সমান?
মোরজ্বালা! ছবডির ছাইচকি একমত?
আফনের নাইকা কান্ডজ্ঞ্যাইন...!

হোম, তাহলেতো বাজার ভালোনা
দাম অনেক কম
মোইত তয় কইলাম, ভালানা...
খইদ্দ্যার ফাই কম...

বাজারডা বেবাক নচস্ট অইবে
নামছে কিছু হিজলা...
বুঝেনা অনেক মানছের ব্যাকুইব্যে
ধোঁকা দেয় জলজলা...

বললাম, কিছু খারাপ ব্যক্তি
তারা আছে থাকবেই
বকাবকিতে লাভ নাই সত্যি
বাজার নষ্ট করবেই...

বছরে একটা কুরবাণীর ঈদ
একটা বড় বাজার
কতযে অনিশ্চয়তা ভাল্লাগেনা ধুত,
কমবেনা বাড়বে দর...?

সারা বছরে বেচা কেনা
যতো হয় চামড়ার
এক ঈদে তার ষোলআনা
বাজারটা তাই অস্থির...

কিন্তু আপনার মতো মেয়েরা
এই সব ব্যবসায়ে?
আগাচ্ছে দেশ, মেয়ে যারা
মনটা দিলো ভরায়ে...।

কি করুমকন প্যাটের দায়ে
আরতো উফায় ন্যাই...
নিতাইন্ত অছহ্যায়, বাইদ্য অইয়্যা
নামছি ছামডার ব্যবছায়...।

হোম, আরও কিছু তথ্য
আমার খুব দরকার...
যদি জানতে পারি সত্য
ব্যবসায় হবে উপকার...।

অত্ত কতা জিইজ্ঞাইন ক্যান?
ভেজাইল্ল্যা মানছের লাগান,
অহন একটু ছুপ থাইক্যান
বাঁইয়ে গাড়ি খাড়াইন...

বাড়ি ওইল্ল্যা ট্যার ফাইলে
এখখন দিব খ্যাদান,
চুপতি চুপতি, কেউ জিগাইলে
কয়েন্না মাগী ছুতবেন...।

ছিহঃ ছিঃ কিযে বলেন
বলবো খালাত ভাই,
বিদেশে থাকি, আগে কোনদিন
আসতে পারি নাই...

ভাবলাম এইবার চামড়ার ব্যবসায়
টাকা কিছু খাটাই,
ভালো মন্দ তথ্যের আশায়
বোনটির কাছে জিগাই...।

বাহ, বাহ, ছমতকার কইছেন
এইড্যায় বছেন এইবার,
এইডা আমার খাট ছুনেনঃ
পাছেরড্যা ছুমকি মাগীর...

এক মিনিট একটু বছেন
কাফরডা খুইল্ল্যা ফ্যালান,
মোইও একটু ঢিলা ঢালান
আইছি বইল্ল্যাই জাইনেন...।

খাটে বসে ভাবছি আমি
পূরানা ঢাকার মাইয়্যা,
কথায় কথায় খিঁচকি বুমি
মাথাটা দেয় আউলাইয়া...

জানবো খাসীর চামড়া এইবার
তিনশ না পাঁচশ?
আর কয়েকটা বাকি প্রশ্নের
তার পরেই ফুটুস...
  
ভাবতে ভাবতেই চলে এসেছে
ঢিলাঢালা ছোট জামায়,
অনেক অঙ্গ খোলা রেখেছে
আমি হলাম অসহায়...

এক নিমেষে সামনে এসে
হেসে বলে নাকান্দে...
ছাইমড়া ব্যাস্যায়ীর খাটে বসে
বুঝছছ যাইচ্ছে মইন্দে...

এইনা বলে গায়ের কাপড়
এক নিমেষে খোলে
আমি দেখি চোখে আঁধার
কারে ধরলাম ভুলে...

করবোটা কি করবোটা কি
আসছেনা ঠিক মাথায়
পথটি খোঁজি উঁকি বুঁকি
এক ধাক্কায় সড়ায়...

হত চকিত মেয়েটি চিল্লায়
হইছেডা কি জিগাই...
ধাক্কা মাইরা দিলে ফ্যালায়
কাম করবানা মোই...

ততক্ষণে হোঁস ফিরে পাই
উচিত ছিল বুঝার
চামড়া মানে কেউ বুঝিনাই
মেয়েটি বুঝে বুদার...

ছিহঃছিঃ বলে দিলাম দৌড়,
মেয়েটি চিল্লায় কাঁন্দায়...
ম্যালা কইষ্টের পইল্যা খইদ্দর
দিছনা লাইথথি ধান্দায়...

কে শোনে কার কথা
আল্লাহ বাঁচা বলে,
ছুটছি আমি যেথা সেথা
ফাঁস খুলতে গলে...

এদিক ওদিক ছুটতে ছুটতে
কষ্টে কাঁদে বুক,
চামড়া ব্যবসা এই অর্থে?
সমাজের নেই চোখ?

এই সমাজেই চামড়া ব্যবসাতে
বললে বুঝে বুদার...!
চামড়া ব্যবসায়ীরা পারবেন শোনতে!
কোথায় তোলনা কিসের...?

আর নেবোনা বাজারের খোঁজ
চামড়ার রকম সকম,
বন্ধ করি মোবাইলের ছুইচ
লাগছে ভিষন শরম...।


(সাইন.জুবায়ের, ১৭.১১.২০১০, ২.৫১এ.এম, পিঙ্কসিটি) 

ঈদ এবং কুরবাণীর কড়চা...


...........সাইন.জুবায়ের













যে যার মতো যাচ্ছে চলে
হা-হাঁক করে ঢাকা
গাঁয়ের পথে মেয়ে ছেলে
জ্যামের শহর ফাঁকা...

কিসের টানে যাচ্ছে সবাই
বস্তা ব্যাগ টেনে
বাসের সিটে জায়গা নাই
যাচ্ছে ঝুলে ট্রেনে...

লঞ্চে যাচ্ছে টুপড়ি ভরে
সাঁতার জানেনা যারা
আল্লাহ বাঁচা বলছে জুড়ে
বাচ্চা মেয়ে বয়স্করা

মা পড়েযান সেজদা নোয়ায়ে
ছেলে বউমারা আসবে
রাস্তা ঘাটে আল্লাহ সহায়
দিলাম তোমায় সঁপে...

পরিবহন বিরম্বনায় হাঁপায় যাত্রিরা
মোষড়ে কেউ কাঁদে
কেউবা আবার গুনছে ভাড়া
যাচ্ছে যেন চাঁদে...

পরিবহন মালিকরা তারচেখুশি
খারাপ হেল্পার ড্রাইভার
আগায় ডগায় ছত্রিশে আশি
পাইকার সাজে গাধার...
                 
কিছু পরিবহন বিগড়ে পড়ে
রাস্তার পাশে মাঝখানে
খালে নালায় যায়বা দৌড়ে
অনেককে শোয়ায় কফিনে...
কোনো পরিবহন পানিয় চলে
হা পিত্তেসে ভাসান
হঠাত করে চুপছে তলে
ডুবায়ে দেয় চোবান...

ফি-সাবিলিল্লাহ ডুবলে নদে
মৃত্যুর বদলে একখান
ছাগলটা দেবেন বাবার হাতে
আব্বা দিয়োগো কুরবাণ...

থেকেও হ্যায় কেউ নাই
দেখবে এসব স্ট্রিকলি
তবুও আশায় যদি বেঁচে-যাই
শিকে যাচ্ছে ঝুলি...

হঠাত করে এত্তো মানুষ
বাহন ছুটে চলায়
রাস্তা হঠাত হয়যে বেহুঁস
এক্সিডেন্ট দেয় বাড়ায়

রেগে বলে হারামী শালারা
আমায় যখন বানাস
ঘুষখোর চোর বখাটে যাহারা
তোরাইতো খেয়ে নেস...!

তবুও সবাই চলেই যাচ্ছেন
ঢাকার বাড়িয় তালা
বলতে সবাই কেমন আছেন
মা-চাচী আর খালা?!

আমি ভাবি হাতদিয়ে গালে
বিশাল কি তার কারন!
বেমালোম যাচ্ছে দলে-দলে
ভাংছে যাত্রার ব্যাকরন...!

ওহঃ হো হো এই কথা
আগে কেনো ভাবিনি!
ঈদ আমেজটাই মূল হোতা
একদম মাথায় আসেনি...!

যাক বাবা কারন পেলাম
যাচ্ছে কেন দলে-দলে
বড়কা ঈদের আসছে সালাম!
যে যার যাচ্ছে মূলে...

আমি আসলে এরকম-ই
নিজের-ই পাইনা খোঁজ
চারদিকে ব্যাপক আমোদ ফুর্তি
একটুও নেই গরজ...

যেইনা খোঁজে কারণ পেলাম
তাতপর্য্যটাই শুধু ভাবছি
মুসলিম উম্মার উতসর্গিত প্রেম
স্বাক্ষ্য ইব্রাহিম নবীজী...

কোখায় সে প্রেমি উতসর্গকারী
কোখায় উতকৃষ্ট নিদর্শন
কোথায় সে উতসব দ্বীনদারী
কোথায় সাচ্চা মুসলমান?

কোত্থাও খোঁজে আজও পাইনি
ইসলাম অথবা শান্তি
মসজিদে বাইরে শুধু টানাটানি
বিভ্রান্তির বেড়াজালে অশান্তি...

ঈদের মাঠে ইমামতিত্বে
ক্ষমতাশীলদের মনোনয়ন
পড়হেজগারী মুরূব্বী থাকতে
পড়ায় দূর্বলি ঈমান...

কোথায় ওমর হামজা আবুবক্কর
স্বাক্ষী বিদায়ী ভাষনের
কাহারা করবে ইমামী সেজদার
কোথায় শিক্ষা নবীজীর...!

না না না আমি শুধু তাই
পাইনি খোঁজে কারন
কিসের টানে ছুটছে সবাই
ভুলে যাত্রার সমীকরণ...

দেড় দুকোটির ওভারলোডে
হাঁপিয়ে উঠা শহর
শ্বাস জমাবে আয়েশী মোডে
আগামী দশ মাসের...

ওয়াসা ডেসা তিতাস মোদের
আন ইন্টারাপ্টেড সুবিধায়
চিনবেনা কেউ সত্যি ওদের
পড়বে গোলক ধাঁধায়...

তবুও চলে যাচ্ছে মুষ্টিমেয়
চলেই যেতে হয়?
আগলাতে পারবেনা এতো সুবিধায়
মিষ্টি মধুর কথায়...

টিভির পর্দা দাপিয়ে চিল্লায়
ক্রেতার টানতে আকর্ষণ
এবারের বাজার স্থিতিশীলতায়
অতীতের ছাড়াবে উদাহরণ...

কারবারী মোনাফাখোড়িরা পাবেনা প্রশ্রয়
দমাবো শক্ত হাতে
মান ও মূল্যে সরকারী কায়দায়
গোপনে তাদের সাথে
  
প্রতিটি বাজারে গরুর হাটে
থাকবে ভ্রাম্যমাণ আদালত
অথচ কারবারীরা নিবে লুটে
পাবেনা কোত্থাও উকালত...

বাজার হাটে কেনা বেচা
বাড়ছে দ্রুত হারে
কারবারীরা দেয় দামের ক্যাঁচা
খামচে পকেটে ধরে...
    
বন্ধুপ্রতিম পাশের দেশটি
কুটনামী এক চালে
এনথ্রাক্স আতঙ্ক করায় সৃষ্টি
এদেশের চামচে মিলে...

কেউনা জানো কেউনা শোন
অনিহা দেশের গরুয়!
বিশাল সস্থায় বিদেশি কিনো
অদৃশ্য গোলক ধাঁধায়...

দেশের পশু দেশের বাজার
হচ্ছে পাটের মতো
হচ্ছে লুটেরা ফরেন রেমিটেন্সের
গভীর চালে যতো...

দেশের কৃষক বারো মাসে
যত্নে পোষা পশুর
স্বপ্ন বুনে বেচার শেষে
ফান্ড জমাবে শিশুর

পড়াশোনার পড়চা আজকাল
চাঁন্দে যাওয়ার মতোন
এই ফান্ডে পড়বে ছাওয়াল
নিশ্চিন্তে যাইবো ঘুমান...
  
এনথ্রাক্স আইলো এনথ্রাক্স আইলো
চারদিকে হাঁক ডাঁক
আঁতকে আঁতকে কৃষক মরলো
কুঁকড়ে কাঁদে বুক...

যে কয়টা বেঁচে গেছে
ব্রেকিভ্যানে যাবে বেচা
কিন্তু ক্রেতা দেখেই বলছে
এসব এনথ্রাক্স পঁচা...

পশুর হাটে দালাল ভরা
এনথ্রাক্সমুক্ত নিন বুঝে
সবার চোখ ঠিকরে ছানাবড়া
বিদেশী গরুর মাঝে...

কাঁদলো দেশের পশু খামাড়িরা
ভাংলো শিশুর ভবিষ্যত
ফায়দা নিলো বুদ্ধীকারবারীরা
দেশের বাজার লোপাট...

কুরবাণীতো দিতেই হবে
গরূ খাসী বা উট
নয়তো সবাই বলে বেড়াবে
কঞ্জুস শালা ঝুট...

বিদেশী গরূ চিল্লায় হাম্বা
ছাগলেরা কয় ব্যায়-ব্যাঁ
লক্ষ লক্ষ বাড়ীয় বান্দা
কে উতসর্গীত কে জবে...!

কুরবাণীর পশুরা কেঁদে বলে
কিনেছিস প্রতিযোগিতার দামে!
ঘুষ হারামের টাকায় কিনলে
উসতসর্গ আসবেনা কামে...
  
কিন্তু এসব ইথিক্স, ধর্ম
কে মানে না মানে
কান্নায় দেখে শুভ কর্ম
সেক্রিফাইসের টানে...

ধর্মের বাণী মসজিদে মানায়
কুরবাণীটাতো ফ্যাশন
সমাজে বাঁচে উঁচু মাথায়
ফর্সা হবার লোশন...

যার যা ধর্ম যার তার
বলে এমনও দেখায়
চরম আয়েশি কুরবাণী মাংশের
একটেবিলে ডুবে সূরায়...

কেউবা নামে প্রতিযোগিতায়
দু চারটা দেয় গরূ
ধর্মতে নাই নামাজ রোজায়
ওরাই সমাজের গূরূ...


(সাইন.জুবায়ের, ১৩.১১.২০১০, ০২.৫৬এ.এম, পিঙ্কসিটি)